পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামা উপজেলায় আবুল কাশেম আরকানী কর্তৃক ফাইতং বড় মুসলিম পাড়া বাইতুল মামুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে আদালতে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অভিযোগ তুলে আদালতে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে। ফাইতং বড় মুসলিম পাড়া বাইতুল মামুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর ২০২৫) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সামনের সড়কে ফাইতং বড় মুসলিম পাড়া এলাকাবাসী এ মানববন্ধন করেন। এতে সমাজের শতাধিক নারী পুরুষ অংশ গ্রহণ করেন। অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়ে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- মসজিদ পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক ছরওয়ার কামাল, সহ-সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সদস্য জাফর আলম ও ডা. নজরুল ইসলাম, সমাজ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. বেলাল উদ্দিন মিয়া ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. বাদশা। এর আগে গত ৩ নভেম্বর ২০২৫ মাদ্রাসার পানি ট্যাংক চুরি, মাদ্রাসার দেওয়াল ভাঙ্গা ও গাছ কাটার অভিযোগ তুলে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির পরিচালক আবুল কাশেম আরকানী বাদী হয়ে উপজেলা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ছরওয়ার কামাল, সহ সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ, সমাজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবু ছিদ্দিক ছোটন ও সদস্য নজির আহমদের বিরুদ্ধে মামলা (সি.আর মামলা নং ৪২৩/২০২৫) করেন।মামলায় ভিত্তিহীন অভিযোগের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়ে মসজিদ পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মঈন উদ্দিন বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আবুল কাশেম আরকানী যে অভিযোগ তুলে আদালতে মামলা করেছেন, সে অভিযোগ মোটেও সত্য নয়, সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। মূলত আবুল কাশেম আরকানী মাদ্রাসার পরিচালক ছিলেন। অদক্ষতার কারণে মাদ্রসার শিক্ষার মান ভেস্তে গেলে পরিচালনা কমিটি ও এলাকাবাসী তাকে পথ থেকে অব্যাহতি চাই। মূলত এ কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে আবুল কাশেম আরকানী মিথ্যা অভিযোগ তুলে আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।আমরা এ মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবী জানাই।তারা। আরও ০৫টি দাবী জানান ১. বর্তমানে সারা বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী মাদ্রাসা পরিচালনা করিতে হইবে।২. মাদ্রাসায় কোন রোহিঙ্গা আরসা সদস্য শিক্ষাকতা করতে পারবে না। ৩. মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য জাবাবদিহি মূলক কমিটি গঠন করতে হবে।৪. মিথ্যা মামালা দায়ের করার জন্য সমাজের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। ৫. সর্বশেষ আগামী ৭২ঘন্টার মধ্যে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করিতে হইবে।অন্যথায় এলাকাবাসী আরও কঠিন কর্মসূচি গ্রহণ করিতে বাধ্য থাকিব।
